ইসলামিক সলিডারিটি গেমস
সৌদি আরবে শপিং করতে গিয়ে খেলতেই পারেননি হালিমা, ব্রোঞ্জপদক ম্যাচে ওয়াকওভার পেল প্রতিপক্ষ
ইসলামিক সলিডারিটি গেমসেও অঘটনের জন্ম দিলেন বাংলাদেশের কুস্তিগীর হালিমা আক্তার। গত ২০ নভেম্বর বলেভার্ট অ্যারেনায় মেয়েদের ৬৮ কেজি ফ্রিস্টাইল কুস্তিতে ব্রোঞ্জপদকের লড়াইয়ে ম্যাটেই আসেননি তিনি। ফলে প্রতিপক্ষ আজারবাইজানের নিগার মিরজাজাদে বিনা লড়াইয়ে ওয়াকওভার পেয়ে ব্রোঞ্জ জিতে নেন। বিশ^স্ত সূত্রে জানা গেছে, ওই দিন শপিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন হালিমা। তাই সময়মতো ম্যাটেই আসতে পারেননি তিনি। তাই একটি পদকও হাতছাড়া হয়ে
বিশাল বহর নিয়ে ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখানে টেবিল টেনিসে একটি রুপা, ভারোত্তোলনে একজন তিনটি ব্রোঞ্জ এবং উশুতে একটি ব্রোঞ্জ জেতেন লাল সবুজের ক্রীড়াবিদরা। তবে কুস্তির ৬৮ কেজি ওজন শ্রেনীতে আরও একটি ব্রোঞ্জের পদকের লড়াইয়ে উঠেছিলেন হালিমা। কিন্তু ম্যাটেই উপস্থিত হননি তিনি। ফলে বিচারক আজারবাইজনের কুস্তিগীর নিগারকে জয়ী ঘোষনা করেন এবং ব্রোঞ্জ জেতেন। এ বিষয়ে ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন আজাদের কথা,‘কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে যায় ইনজুরিতে পড়া হালিমা। তাই সে কিভাবে ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে গেল তা জানি না। আমরা জানি, এখানে লড়াই করলেও সে হেরে যেত। তাছাড়া সে গেমস ভিলেজেই ছিল।’
গেমসের উইকিপিডিয়াতেও হালিমার অনুপস্থিতি স্পষ্ট। তাহলে কি দলের কোচ, ম্যানেজার এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না? সূত্রে জানা গেছে, এক ম্যাচ হেরে যাওয়ায় নিজেকে বাদ মনে করে মনের আনন্দে শপিং করে সময় কাটিয়েছেন। ফলে ম্যাটে উপস্থিত হতে পারেননি হালিমা। আর তাই মিরজাজাদেকে ব্রোঞ্জজয়ী হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ইসলামিক সলিডারিটি গেমসের শেফ দ্য মিশন এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সেলিম ফকির বলেন, ‘সরকারী কর্মকর্তা হওয়ায় আমাদেরকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত জিও দেওয়া হয়েছিল। তাই আমরা ওই দিনই চলে আসি। বিষয়টি না জেনে কিছু বলতে পারব না।’ এর আগেও ২০২৩ সালে হাংজু এশিয়ান গেমসে ম্যানেজারের ভুলে সময় মতো ভেন্যুতে উপস্থিত হতে পারেননি এক কারাতেকা। এর আগেও এমন অঘটনা অনেক ঘটেছে। যদিও এবার শেফ দ্য মিশন সতর্ক থাকার কথা বলেছিলেন। কিন্তু ঘটলো সেই চিরাচরিত ঘটনাই।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: