আফগানিস্তানের কাছে ২০০ রানের লজ্জার হার বাংলাদেশের
আবুধাবিতে আফগানদের দেওয়া ২৯৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৯৩ রানেই অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ দল। এদিনও শুরু থেকে বাজে ব্যাটিংয়ের কবলে পড়ে টাইগাররা। ওপেনার নাঈম শেখ ২৪ বলে ৭ রান করেই বিদায় নেন। এরপর নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে হাল ধরেন সাইফ হাসান। তবে দলীয় ৪৭ রানে ৩ রানে ফিরে যান শান্ত।
নিজেদের প্রিয় ফরম্যাট ছিল ওয়ানডে, সেই ফরম্যাটেই একের পর এক ম্যাচ হারল বাংলাদেশ দল। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের সবকটি ম্যাচেই বাজেভাবে পরাজয় বরণ করল বাংলাদেশ। সবশেষ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে ২০০ রানের বড় ব্যবধানে হেরে হোয়াইটওয়াশ হলো মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
আবুধাবিতে আফগানদের দেওয়া ২৯৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৯৩ রানেই অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ দল। এদিনও শুরু থেকে বাজে ব্যাটিংয়ের কবলে পড়ে টাইগাররা। ওপেনার নাঈম শেখ ২৪ বলে ৭ রান করেই বিদায় নেন। এরপর নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে হাল ধরেন সাইফ হাসান। তবে দলীয় ৪৭ রানে ৩ রানে ফিরে যান শান্ত।
সাইফ একাই দলকে টানছিলেন তবে তিনিও ব্যক্তিগত ৪৩ রানে ফিরে যান, দলের রান তখন ৭০। এরপর তাওহীদ হৃদয় (৭), মেহেদী মিরাজ (৬) এবং শামীম পাটোয়ারী (০) রান করে বিদায় নেন। পরবর্তীতে নুরুল হাসান সোহানও ব্যর্থ হন, করেন মোটে ২ রান। পরে ৮১ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ দল।
পরবর্তীতে রান করতে ব্যর্থ হন রিশাদ হোসেনও, বিলাল সামির বলে আউট হওয়ার আগে করেন ৪ রান। হাসান মাহমুদের ৯ রানে আউটের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। সবমিলিয়ে ২৭ ওভার ১ বল খেলতে সক্ষম হয়েছে টাইগাররা। আফগানদের হয়ে বল হাতে এদিন ৫টি উইকেট নেন বেলাল সামি এবং রশিদ খান নেন ৩ উইকেট।
এর আগে দিনের শুরুতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৯৩ রান তোলে আফগানিস্তান দল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৯৫ রান করেন ইব্রাহিম জাদরান। এছাড়া রহমানউল্লাহ গুরবাজ করেন ৪২ রান। শেষ দিকে মোহাম্মদ নবির ঝোড়ো ৩৭ বলে ৬২ রানে বড় পুঁজি দাঁড় করায় আফগানরা। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট সংগ্রহ করেছিলেন সাইফ হাসান।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: