ঢাকাকে ১০ উইকেটে হারালো চট্টগ্রাম রয়্যালস
জয় দিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) সিলেট পর্ব শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচেই হেরে যায় চট্টগ্রাম কিংস। ঘুরে দাঁড়াতেও বেশি সময় নিলো না তারা। ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১০ উইকেটে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে শেখ মেহেদী হাসানের দল।
দলের দুই ওপেনার অ্যাডাম রসিংটন ও মোহাম্মদ নাঈম শেখের ফিফটিতে ঢাকাকে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারাল সাগরপাড়ের দলটি। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে সব ক’টি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২২ রান করে ঢাকা ক্যাপিটালস। জবাবে ৪৪ বল ও ১০ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত হয় চট্টগ্রামের। ১২৩ রানের মামুলি টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে কোনো চাপই নেয়নি চট্টগ্রাম। শুরুতে একটু দেখে-শুনেই খেলতে থাকেন দুই ওপেনার অ্যাডাম রসিংটন ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ। ক্রমান্বয়ে ঢাকার বোলারদের দিকে আগ্রাসী হতে থাকেন তারা। দু’জনের অপ্রতিরোধ্য ১২৩ রানের জুটিতে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় চট্টগ্রামের। দু’জনই ফিফটির দেখা পেয়েছেন। মাত্র ৩৬ বলে নয়টি চার ও দু’টি ছয়ের সাহায্যে ৬০ রান করে অপরাজিত থাকেন রসিংটন। আর ৪০ বলে সাতটি চার ও একটি ছয়ে ৫৬ রান করে অপরাজিত থাকেন নাঈম।
এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ঢাকাকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান চট্টগ্রাম রয়্যালসের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। ঢাকার শুরুটা ভালো হতে দেননি চট্টগ্রামের পেসার শরিফুল ইসলাম। পাওয়ার প্লেতেই দুই ওপেনারকে সাজঘরে ফেরত পাঠান তিনি। আউট হওয়ার আগে সাইফ হাসান ১ ও জুবাইদ আকবরী ২ রান করেন। এদিকে ২১ রান আসে উসমান খানের ব্যাট থেকে। আসা-যাওয়ার মিছিলে মোহাম্মদ মিঠুন ৮, শামীম হোসেন ৪, সাব্বির রহমান ৯ ও ইমাদ ওয়াসিম ৯ রান করেন। অষ্টম উইকেট জুটিতে ৪৮ রানের কার্যকরী জুটি গড়েন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও নাসির হোসেন। তাতেই একশো পেরিয়ে যায় ঢাকা ক্যাপিটালস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রানের ইনিংসটি খেলেন সাইফউদ্দিন। নাসিরের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। আর তাসকিন ৫ ও সালমান মির্জা ০ রানে আউট হন। চট্টগ্রামের সবচেয়ে সফল বোলার তানভীর ইসলাম। ৪ ওভার বল করে মাত্র ৮ রানের খরচায় সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন তিনি। আর ১৮ রানের খরচায় তিনটি উইকেট নিয়েছেন শরিফুল ইসলামও। এছাড়া শেখ মেহেদী হাসান দুটি ও আমির জামাল একটি করে উইকেট নেন।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: