ব্র্যাডম্যানের ৯৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙলেন ট্রাভিস হেড
ট্রাভিস হেডের দুর্দান্ত ফর্ম ছুটছেই। সিডনিতে চলমান অ্যাশেজ সিরিজে নিজের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি হয়ে উঠলেন ম্যাথু হেইডেনের পর ঘরের মাঠে অ্যাশেজে সর্বাধিক সেঞ্চুরি করা অজি ওপেনার। হেইডেন এই কীর্তি গড়েছিলেন ২০০২-০৩ মৌসুমে।
এদিন হেড আরেকটি ঐতিহাসিক মাইলফলকও ছুঁয়েছেন। তার বিধ্বংসী শতক দিয়ে তিনি স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের ৯৬ বছর পুরোনো এক রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছেন। ১৬৬ বলে ২৪ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ১৬৩ রানের ইনিংস খেলেন হেড।
এতে করে অ্যাশেজ ইতিহাসে দ্রুততম ১৫০ রানের তালিকায় যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছেন হেড। তিনি ১৫০ পূর্ণ করেন ১৫২ বলে, যেখানে ব্র্যাডম্যান ১৯৩০ সালে লর্ডসে এই কীর্তি গড়েছিলেন ১৬৬ বলে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই তালিকায় দু’বার জায়গা পাওয়া একমাত্র ব্যাটার ট্রাভিস হেড।এর আগে ২০২১ সালে ব্রিসবেনে তিনি ১৪৩ বলে ১৫০ করেছিলেন।
হেডের অসাধারণ ইনিংস অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচে স্পষ্টভাবে এগিয়ে দিয়েছে। ব্যাটিংয়ের জন্য সহায়ক ফ্ল্যাট উইকেটে লাঞ্চ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের স্কোর থেকে মাত্র ১০৩ রান পিছিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। তৃতীয় দিন শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ১৬৬/২।
হেডের সঙ্গে দৃঢ়তা দেখান নাইটওয়াচম্যান মাইকেল নেসার। তিনি ৯০ বল মোকাবিলা করে করেন ২৪ রান। পরে ব্রাইডন কার্স নেসারকে আউট করলে কিছুটা আশা জাগে ইংল্যান্ডের শিবিরে। তবে স্টিভ স্মিথ ক্রিজে এসে দৃঢ়তা দেখান, যদিও ইনিংসের শুরুতে লেগ স্লিপে জ্যাক ক্রলির ক্যাচ মিসে ভাগ্য সহায় ছিল তার।
এসসিজিতে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করা হেড আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যান, ইংল্যান্ড টাইট লাইন-লেন্থ বজায় রাখার চেষ্টা করলেও। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়াই ম্যাচের চালকের আসনে, আর দ্বিতীয় সেশনে বড় ধস না নামলে এই টেস্টে তারাই এগিয়ে থাকবে।
অ্যাশেজে দ্রুততম ১৫০ (বল অনুযায়ী):
১২৯: জো ডার্লিং, সিডনি, ১৮৯৮
১৪১: অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, এডজবাস্টন, ২০০১
১৪৩: ট্রাভিস হেড, ব্রিসবেন, ২০২১
১৫২: জ্যাক ক্রলি, ওল্ড ট্র্যাফোর্ড, ২০২৩
১৫২: ট্রাভিস হেড, সিডনি, ২০২৬*
১৬৬: ডন ব্র্যাডম্যান, লর্ডস, ১৯৩০
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: