[email protected] শুক্রবার, ৫ই জুন ২০২৬
২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পাকিস্তানের বিশ্বকাপ বয়কটের পক্ষে সাবেক পিসিবি চেয়্যারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:০১ এএম

বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বয়কট করলে এই সিদ্ধান্তের পক্ষে থাকবেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সাবেক চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি। ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অটল থেকে বাংলাদেশ সঠিক অবস্থান নিয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

মূলত, নিরাপত্তা শঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পূর্ব ঘোষিত সূচিতে থাকা ভারতের ভেন্যুতে থাকা নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেটি মেনে নেয়নি আইসিসি।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও সুপার জানিয়েছিল, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ বয়কট করলে পাকিস্তানও একই পথে হাঁটতে পারে। দেশটির সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ এরই মধ্যে বলেছেন, পাকিস্তানের টুর্নামেন্ট বয়কট করা উচিত। সব মিলিয়ে এমন একটি গুঞ্জন চলছে কয়েক দিন ধরেই।

যদিও পিসিবির পক্ষ থেকে এখনও এই বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু বলা হয়নি। তবে সাবেক পিসিবি চেয়্যারম্যান নাজাম শেঠি আগেভাগেই জানিয়ে দিয়েছেন, পিসিবি সভাপতি মহসিন নাকভির নেতৃত্বে বোর্ড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিলে তিনি এর পক্ষেই থাকবেন।

সংবাদমাধ্যম 'টেলিকম এশিয়া স্পোর্ট'-কে নাজাম শেঠি বলেন, ‘বিশ্বকাপ বয়কট করে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও শক্তিশালী অবস্থান নিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, পিসিবি কী সিদ্ধান্ত নেয়। এটি একটি কঠিন সিদ্ধান্ত হবে, তবে আমি এমন সিদ্ধান্তের পক্ষে থাকব। মহসিন নাকভি ক্রিকেট বোঝেন এবং সব দিক সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটিই সঠিক হবে এবং তার সেই সিদ্ধান্তে অটল থাকা উচিত।’

আইসিসির সমালোচনাও করে নাজাম শেঠি অভিযোগ করেন, বড় বড় সিদ্ধান্তে সংস্থাটি ধারাবাহিকভাবে ভারতের পক্ষ নিচ্ছে। তার ভাষায়, ‘প্রতিটি ইস্যুতে ভারতের পক্ষ নেয়া আইসিসির বন্ধ করা উচিত। অন্যান্য দেশগুলোর এখন দাঁড়ানো দরকার। একবার এটা ঘটলে আইসিসি বুঝতে পারবে, এটি ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল নয়, এটি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল।’

নাজাম শেঠি মনে করেন, বাংলাদেশের ম্যাচ স্থানান্তরের আবেদনটি আইসিসির আরও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত ছিল। তার ভাষ্য, ‘বিসিবির একটি বৈধ কারণ ছিল। কারণ, সেখানে উত্তেজনা ও হুমকির বিষয় আছে। কিন্তু আইসিসি বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি। ভারতের প্রতি পক্ষপাত ছিল, আর সিদ্ধান্তটি ভারতের পছন্দ অনুযায়ী এসেছে।’

উল্লেখ্য, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। ২০ দলের অংশগ্রহণে এবার বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ ভারত ও শ্রীলঙ্কা।

 

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর