[email protected] শুক্রবার, ৫ই জুন ২০২৬
২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নাহিদ-তাসকিনের গতির ঝড়ে লন্ডভন্ড পাকিস্তানের ব্যাটিং-অর্ডার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০২৬ ২১:০৩ পিএম

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পেলেও পরের ম্যাচেই পাকিস্তানের কাছে বাজেভাবে হেরে বসে বাংলাদেশ। আর তাতেই তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটা হয়ে দাঁড়ায় সিরিজ নির্ধারণী।

এমন ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে তানজিদ তামিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ২৯০ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে নাহিদ রানা-তাসকিনদের গতির ঝড়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের টপ-অর্ডার। একশ রানের আগেই তারা হারায় পাঁচ উইকেট।

মিরপুরে রোববার (১৫ মার্চ) সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০৭ রানের ইনিংস খেলেছেন তানজিদ হাসান তামিম। পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল হারিস রউফ।

জবাব দিতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই শাহিবজাদা ফারহানের উইকেট তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। এরপর মাজ সাদাকাত ও মোহাম্মদ রিজওয়ানও ফেরেন দ্রুত। ৩ ওভারে ১৭ রান করতেই টপ-অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে পাকিস্তান।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে গাজি ঘোরি ও আব্দুল সামাদ ম্যাচের হাল ধরেন। দুজনে মিলে স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ৬৭ বলে ৫০ রান। দলীয় ৬৭ রানের মাথায় গাজি ঘোরিকে বোল্ড করেন নাহিদ রানা। আর দলীয় ৮২ রানে আব্দুল সামাদের উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজুর রহমান। ৮২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে হারের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ক্রিজে দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতেই সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম মিলে করেন ১০৫ রান। ৫৫ বলে ৩ চারের মারে ৩৬ রান করে ১৯তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির শিকার হন সাইফ। এরপর নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৫৩ রানের জুটি গড়েন তানজিদ তামিম। ৩৪ বলে ৩ চারের মারে ২৭ রান করে আউট হন শান্ত।

তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন তানজিদ। শেষ পর্যন্ত ১০৭ বলে ৭ ছক্কা ও ৬ চারের মারে ১০৭ রান করে বিদায় নেন তিনি। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৩৬.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান। তার বিদায়ের পর বাংলাদেশের রানের গতি কিছুটা মন্থর হয়ে যায়।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৬৮ রান করেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। তাদের জুটি ভাঙে ইনিংসের ৪৭তম ওভারের তৃতীয় বলে। ৫১ বলে ১ ছক্কা ও ১ চারের মারে ৪১ রান করে সাজঘরে ফেরেন লিটন। পরের বলেই হারিস রউফের শিকার হন রিশাদ হোসেন। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন আফিফ হোসেন। তিনি ৮ বলে ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। অন্যদিকে ৪৪ বলে ৪ চারের মারে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন হৃদয়।

পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে এদিন সবচেয়ে সফল ছিলেন হারিস রউফ। ১০ ওভার বল করে ৫২ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এছাড়া ১টি করে উইকেট নিয়েছেন শাহিন আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ।

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর