সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের জরাকীর্ণ অবস্থা: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ক্ষোভ
সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের জরাজীর্ণ অবস্থা ও অব্যবস্থাপনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বিগত সরকারের মেগা দুর্নীতির কারণে স্টেডিয়ামটির এই দশা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা দেখে সাংবাদিকদের তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। পরিদর্শনকালে সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্টেডিয়ামের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'স্বৈরাচার সরকার যখন জোর করে ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা উন্নয়নের নামে শুধু মেগা দুর্নীতি করেছে। যার কারণে আজ সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের এই জরাজীর্ণ অবস্থা দেখতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।' দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মো: আমিনুল হক বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী সরাসরি উপস্থিতি হয়ে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। একই সময়ে দেশের ৬৪ জেলাতেও একযোগে কর্মসূচিটি চালু করা হবে।
তিনি জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর আওতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের নিয়ে ফুটবল, ক্রিকেটসহ সাতটি ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। মূলত তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ায় সম্পৃক্ত করা এবং তৃণমূল থেকে প্রতিভা তুলে আনাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জন্য ক্রীড়া বৃত্তির ব্যবস্থাও রাখা হবে।
খেলোয়াড়দের কল্যাণে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’—এই লক্ষ্য নিয়ে ক্রীড়াবিদদের জন্য বিশেষ ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১২৯ জনকে এই সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আরও ৫০০ জন জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় এই ভাতার আওতায় আসবেন।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: