বক্সিংয়ের কোচ সৈয়দ মহিউদ্দিন আর নেই
সাবেক কৃতি বক্সার, প্রথিতযশা রেফারি ও অভিজ্ঞ কোচ সৈয়দ মহিউদ্দিন আহমেদ আর নেই। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আজ সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।
মহিউদ্দিন জাতীয় বক্সার ছিলেন। বক্সার হিসেবে অবসর নেওয়ার পর কোচ ও সংগঠকের ভূমিকায় কাজ করেছেন। জাতীয় পর্যায়ের অনেক বক্সার তাঁর হাতে তৈরি। মহিউদ্দিনের আবাসস্থল খিলগাঁও তিলপাপাড়া জোড়পুকুর মাঠে প্রায় প্রতিদিনই শিশু কিশোরদের বক্সিং শেখাতেন।
দীর্ঘদিন বক্সিংয়ের সঙ্গে থাকায় মহিউদ্দিনের মৃত্যুতে বক্সিং অঙ্গনে গভীর শোক নেমেছে। তাঁর চলে যাওয়া বক্সিংয়ের অপূরণীয় ক্ষতি। শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশন।
প্রথিতযশা সাবেক এই কোচের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, 'সৈয়দ মহিউদ্দিন আহমেদ ছিলেন দেশের বক্সিং অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যার অবদান ক্রীড়াঙ্গন আজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ রাখবে।'
প্রতিমন্ত্রী তাঁর বার্তায় আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে বক্সিং খেলাকে জনপ্রিয় করতে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে মহিউদ্দিন আহমেদের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। তিনি শুধু একজন দক্ষ খেলোয়াড়ই ছিলেন না, বরং রেফারি ও কোচ হিসেবে তিনি অসংখ্য প্রতিভাবান বক্সার তৈরি করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষ করে বক্সিং জগতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
বক্সিংয়ের প্রতি সৈয়দ মহিউদ্দিন আহমেদের নিবেদন ও একাগ্রতা নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য সবসময় অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করে আগামী দিনের বক্সাররা দেশের জন্য আরও গৌরব বয়ে আনবে। দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে তাঁর এই দীর্ঘ পথচলা এবং ত্যাগ বক্সিং প্রেমীদের হৃদয়ে তাঁকে অমর করে রাখবে।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: