[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ৪ঠা জুন ২০২৬
২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নেপালে সরকার বিরোধী আন্দোলন

বাংলাদেশ-নেপাল প্রীতি ম্যাচ বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২০:০৯ পিএম

উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচটি বাতিল করেছে অল নেপাল ফুটবল ফেডারেশন (আনফা)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেণ আনফার কর্মকর্তারা সুরেশ সাহা। তার কথা, ‘এই পরিস্থিতির মধ্যে খেলা গড়ানো কঠিন। তাই ম্যাচটি আমরা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছি।’


শেষ প্রীতি ম্যাচের আগের দিন অনুশীলনে যেতে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন জামাল ভূঁইয়ারা। কিন্তু হঠাৎ করেই অল নেপাল ফুটবল ফেডারেশন (আনফা) থেকে জানানো হয়, কারফিউ চলছে। অনুশীলনে যাওয়া যাবে না। অগত্যা কি আর করা, হোটেলেই হালকা অনুশীলন করেছেন তারা। পরে জানানো হয়, উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচটি বাতিল করেছে অল নেপাল ফুটবল ফেডারেশন (আনফা)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেণ আনফার কর্মকর্তারা সুরেশ সাহা। তার কথা, ‘এই পরিস্থিতির মধ্যে খেলা গড়ানো কঠিন। তাই ম্যাচটি আমরা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছি।’


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ায় আন্দোলন আগেই শুরু হয়েছিল নেপালে। ছাত্র-জনতার এই আন্দোলন ব্যাপকতা পায় সোমবার। সকাল থেকেই সংঘর্ষ শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে। ফলে আজকের প্রীতি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য বাংলাদেশ দলের শেষ অনুশীলনপর্ব বাতিল হয়ে যায়। বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার আমের খান বলেন, 'আমরা দুপুর গড়ানোর পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষের খবর পেতে শুরু করি। তারপরও নির্ধারিত সময়ে আমরা অনুশীলনে বের হওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। তবে লবিতে এসে যখন দেখলাম দলকে নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়নি, তখন আনফার সঙ্গে কথা বলি। তারাও জানান, এ মুহূর্তে বের হওয়া ঠিক হবে না। আমাদের কাছে দলের নিরাপত্তার সবার ওপরে। ফলে দলের সদস্যরা হোটেলে জিম সেশন সেড়েছে। আমরা এরপর থেকে অপেক্ষায় আছি নেপাল ফেডারেশনের সিদ্ধান্তের।’ তিনি যোগ করেন, ‘সন্ধ্যায় আমাদের জানানো হয়েছে ম্যাচটি বাতিল করা হয়েছে।’


নেপাল সরকারের দুর্ণীতি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। তা রুখতে ফেসবুক, টিকটক, হোয়াটসঅ্যাপসহ বেশ ক’টি যোগাযোগ মাধ্যমকে নিবন্ধনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। এ সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিবন্ধনে রাজী না হওয়ায় সরকার তিনদিন আগে প্রায় ২৬টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করে দেয়। এতেই ফুসে ওঠে ছাত্র সমাজ। যার বিস্ফোরণ ঘটে সোমবার। হাজার হাজার বিক্ষোভকারী নেপালের সংসদ ভবনে অনুপ্রবেশ করে সরকারের সিদ্ধান্তের দাবী প্রত্যাহারের দাবীতে।। বিক্ষোভকারীদের রুখতে কঠোর অবস্থানে গিয়েছে আইন শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনী। বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে।

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর