কাঠমান্ডুতে অবরুদ্ধ জামালদের ফিটনেস অনুশীলন
অনিশ্চয়তা থাকলেও এর মাঝেও নিজেদের ফিটনেসের কাজ করে যাচ্ছেন ফুটবলাররা। বুধবার টিম হোটেলেই সবাই ঘাম ঝরিয়েছেন। বাংলাদেশ দলে সবশেষ অবস্থার তথ্য জানিয়ে মিডিয়া ম্যানেজার সাদমান সাকিব বলেছেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল সকাল ১১টা থেকে টিম হোটেলে জিম সেশন সম্পন্ন করেছে। নেপালের বর্তমান পরিস্থিতিতেও পুরো দল নিরাপদে রয়েছে। টিম বাংলাদেশ শারীরিকভাবে সুস্থ এবং মানসিকভাবে ভালো আছে।’
নেপালে জেন জি’র গণঅভ্যুত্থানের পর চলছে কার্ফু। রাস্তায় রাস্তায় টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। এমন অবস্থায় হোটেলে একরকম অবরুদ্ধ সময় কাটাচ্ছে জামাল ভূঁইয়ারা। কখন দেশে ফিরবেন সবাই সেই অপেক্ষায় আছে। তবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের এখন পর্যন্ত দেশে ফেরা নিয়ে কার্যত কোনও খবর নেই।
যদিও সরকার ও বাফুফে চেষ্টা করে যাচ্ছে দ্রুত সময়ে তাদের ফিরিয়ে আনতে। নেপালের বাংলাদেশি দূতাবাসের কাউন্সেলর শোয়েব আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা সার্বক্ষনিক জাতীয় ফুটবল দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। তাছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। যদি ত্রিভুবন বিমানবন্দন খুলে দেওয়া হয়, তাহলে কাঠমান্ডুতে অবরুদ্ধ বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সদস্যদের দেশে ফেরানো হয়।’
এদিকে অনিশ্চয়তা থাকলেও এর মাঝেও নিজেদের ফিটনেসের কাজ করে যাচ্ছেন ফুটবলাররা। বুধবার টিম হোটেলেই সবাই ঘাম ঝরিয়েছেন। বাংলাদেশ দলে সবশেষ অবস্থার তথ্য জানিয়ে মিডিয়া ম্যানেজার সাদমান সাকিব বলেছেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল সকাল ১১টা থেকে টিম হোটেলে জিম সেশন সম্পন্ন করেছে। নেপালের বর্তমান পরিস্থিতিতেও পুরো দল নিরাপদে রয়েছে। টিম বাংলাদেশ শারীরিকভাবে সুস্থ এবং মানসিকভাবে ভালো আছে।’
শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার কথা বলা হলেও আসলে দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছেন জামাল- রাকিবরা। হোটেলেই তাদের সময় কাটছে। মিডফিল্ডার সোহেল রানা বলেন, ‘আগের চেয়ে আমাদের অবস্থা ভালো। এখন পরিবেশ শান্ত আছে। কোনও ঝামেলা হচ্ছে না। এখানে আর্মি নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে। পরিস্থিতি ভালো হওয়াতে তারা এখন টেনশন করছে না। আমরা রুটিন অনুযায়ী জিম করছি। আমাদের বাফুফে সভাপতি ও ক্রীড়া উপদেষ্টা চেষ্টা করছেন কীভাবে আমাদের নিয়ে আসা যায়। এ নিয়ে সবাই কাজ করছেন।’
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: