ফাইন্যান্সিয়াল সাপোর্ট পেলে মেয়েরা আরও বেশি আগ্রহী হবে- সাবিনা খাতুন
পাঁচ বছরে সাফের তিনটি ট্রফি বাংলাদেশে। তিনটিই এনেছে মেয়েরা। অবাক হলেও সত্যি যে, তিনটি ট্রফির দলের কাপ্তান ছিলেণ সাবিনা খাতুন।
২০২২ ও ’২৪ সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ এবং দুদিন আগে সাফ নারী ফুটসালের ট্রফি। সাফ ফুটবলের পর ফুটসালের চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিয়ে ব্যাংকক থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক কথাই জানালেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন।
প্রশ্ন: সাফ ফুটবলের দুই আসের শিরোপা জিতিয়েছেণ। এবার জেতালেন সাফ ফুটসাল। ফুটসাল দলে যোগ দেওয়ার সময় কি বিশ্বাস করেছিলেন, এই দল চ্যাম্পিয়ন হতে পারে?
সাবিনা খাতুন: আমি যখন দলে যোগ দিয়েছিলাম, তখন শিরোপা জেতার কথা ভাবতে পারিনি। আগেও মালদ্বীপে দুইবার ফুটসাল খেলেছি। সেখান থেকে একটি অভিজ্ঞতা ছিল। তবে সত্যি কথা বলতে চ্যাম্পিয়ন হতে পারবো কি না সেই আত্মবিশ^াস আগে ছিল না। যদিও আমার সতীর্থদের প্রতি আস্থা ছিল।
প্রশ্ন: ফুটবল এবং ফুটসাল-দুই ভিন্ন ফরম্যাটে নেতৃত্ব দিয়ে শিরোপা জেতা। আপনার কাছে কোনটা বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে?
সাবিনা: ফুটবল এবং ফুটসাল দুইটা ভিন্ন ফরম্যাট হলেও অবশ্যই দুইটা গেমই অনেক চ্যালেঞ্জিং। এখানে (ফুটসাল) অনেক ভালো ভালো ম্যাচ হয়েছে। আমার কাছে মনে হয়েছে যে, ফুটবলের থেকে ফুটসালের প্রত্যেকটা ম্যাচ অনেক ইনটেনসিটি ছিল। যেহেতু ছোট ফিল্ডের খেলা, এখানে ইনটেনসিটি একটু বেশি হয়।
প্রশ্ন: নতুন ফরম্যাটে অধিনায়কত্ব-ফুটবলের নেতৃত্ব আর ফুটসালের নেতৃত্বে সবচেয়ে বড় পার্থক্যটা কোথায় দেখলেন?
সাবিনা: নতুন ফরম্যাটের অধিনায়কত্বটা বলতে আসলে নেতৃত্বটা আমার কাছে সবসময়ই মনে হয় এটা একটা অনেক দায়িত্বশীল জায়গা। ফুটবল এবং ফুটসাল- দু’জায়গায় অধিনায়কত্ব করতে হলে পেশাদার জায়গা থেকে আসতে হয়। আমার সেটা ছিল।
প্রশ্ন: এই ফুটসাল দলটিকে আপনি কীভাবে দেখেন। একটা ক্ষণস্থায়ী অধ্যায়, নাকি বাংলাদেশের নারী ফুটবলের ভবিষ্যৎ?
সাবিনা: এখানে একটা ভালো রেজাল্ট হয়েছে। আমরা শিরোপা জিতেছি। সেটা আগামী দিনেও যারা এটার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন, তারা হয়তো এই সাফল্যের পরে আরও কাজ করতে আগ্রহী হবেন। এটা আমার বিশ্বাস।
প্রশ্ন: ফুটবলে দুই সাফ জয়ের পর আপনাদের একটা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। যদিও শেষবারেরটা (দেড় কোটি টাকা) পাননি। এবার এই শিরোপা জয়ের পর ফেডারেশন বা সরকারের কাছে কোনো চাওয়া আছে?
সাবিনা: দেশের জন্য সম্মান আনার পর প্লেয়ারদেরকে সম্মানিত করলে বা সংবর্ধনা দিলে তো সবারই ভালো লাগে এবং মেয়েদের আগ্রহ জাগে। আমরাও সেটা চাইবো, যদি সংবর্ধনা পাওয়া যায় এবং মেয়েরা যদি ফাইনান্সিয়ালি একটু সাপোর্ট পায়। তাহলে তো অবশ্যই সেটা ভালো। ভবিষ্যতে মেয়েরাও আরও আগ্রহী হবে।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: