[email protected] শুক্রবার, ৫ই জুন ২০২৬
২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বেতনের আওতায় আসবেন হামজারা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:০২ পিএম

দুপুর সাড়ে ১২টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে সহ-সভাপতি এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা মন্ত্রীর কাছে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে ফুটবলের জন্য ‘ডেডিকেটেড’ বা নির্দিষ্ট ভেন্যুর বিষয়টি প্রধান দাবি হিসেবে উঠে আসে।

‘গ্রামাঞ্চলে অনেক ফুটবল মাঠ থাকতে পারে, তবে বিশেষ করে ফিফা অনুদানের আওতায় আমাদের ফুটবল ফেডারেশন কিছু ভেন্যু বরাদ্দের অনুরোধ করেছিল। আলোচনার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমরা চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনটি মাঠ ফুটবল ফেডারেশনকে হস্তান্তর করব। কমলাপুর স্টেডিয়াম, সিলেট জেলা স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম’, মঙ্গলবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে কথাগুলো বলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সাংবাদিক ও ফেডারেশনগুলোর পর এবার এককভাবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে বসলেন তিনি।

দুপুর সাড়ে ১২টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে সহ-সভাপতি এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা মন্ত্রীর কাছে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে ফুটবলের জন্য ‘ডেডিকেটেড’ বা নির্দিষ্ট ভেন্যুর বিষয়টি প্রধান দাবি হিসেবে উঠে আসে। বৈঠকের পর কথা বলতে গিয়ে আমিনুল হক জানান, আলোচনা মূলত ফুটবলের ভবিষ্যৎ এবং এই ক্রীড়ার বর্তমান গতিকে কীভাবে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়েই হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, হামজা চৌধুরীসহ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বেশ কয়েকজন ফুটবলার এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন, যা জাতীয় দলকে ঘিরে একটি নতুন আশার সঞ্চার করেছে।’

বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম এই বৈঠককে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এই বৈঠকের পর আমি ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত অনুপ্রাণিত এবং উৎসাহিত। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের নতুন অভিবাবকের নেতৃত্বে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং আমাদের রাষ্ট্রপতির সমর্থনে নিশ্চিতভাবেই এই মেয়াদে আমরা একটি ফুটবল-বান্ধব স্টেডিয়াম পাব।’ তিনি যোগ করেন, ‘আজকের দিনটি ছিল মূলত পরিচিতির। আমরা সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে উনার কাছে আবার আসব। প্রতিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী এবং বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের প্রচেষ্টায় বর্তমান মেয়াদের মধ্যেই এমন একটি স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হতে পারে।’

সব শুনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘আমি ফুটবল থেকে এসেছি মানে এই নয় যে আমরা কেবল ফুটবলের কথাই ভাবব। একটি যথাযথ সমাজ গড়ে তুলতে হলে সার্বিক খেলাধুলারই বিকাশ প্রয়োজন। একটি সুস্থ পরিবেশ থাকতে হবে। আমরা সবাই একই ক্রীড়া পরিবারের অংশ। আমরা একে অপরের শত্রু নই। আমরা সবাই চাই প্রতিটি খেলার যথাযথ বিকাশ হোক। তাই আমরা মসৃণ সমন্বয় নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করব, যাতে সারা বছর ফুটবল এবং অন্যান্য খেলাধুলা চলতে পারে।’

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর