[email protected] শুক্রবার, ৫ই জুন ২০২৬
২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঘরের মাঠে দাপুটে জয়েও শেষরক্ষা হলো না বার্সেলোনার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৪ মার্চ ২০২৬ ০৯:০৩ এএম

ঘরের মাঠে ৩-০ গোলের দাপুটে জয়েও শেষরক্ষা হলো না বার্সেলোনার। প্রথম লেগে ৪-০ গোলে জয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিলো অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। ২০১৩ সালের পর এই প্রথম কোপা দেল রে’র ফাইনালে উঠলো দিয়েগো সিমেওনের দল।

প্রথম লেগে বড় ব্যবধানে জেতার সুবিধা নিয়েই মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে কাতালানদের মাঠে নামে অ্যাতলেটিকো। তবে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বার্সা। অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ নিতে কমপক্ষে চার গোল প্রয়োজন ছিল তাদের। ৩০তম মিনিটে তরুণ উইঙ্গার লামিন ইয়ামাল কর্নার থেকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিচু ক্রস বাড়ান, সেখান থেকে ১৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার মার্ক বার্নাল জালে পাঠান বল। চোট পাওয়া ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং এর স্থলাভিষিক্ত বার্নাল দুই অর্ধেই গোল করে ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখান স্বাগতিকদের।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বক্সের ভেতর পেদ্রিকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় বার্সা। স্পট কিক থেকে রাফিনিয়া গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর বিপরীত দিকে শট নিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন। বিরতির পরও একের পর এক আক্রমণে চাপে রাখে বার্সা। তবে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দলকে লড়াইয়ে রাখেন অ্যাতলেটিকো গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর। পেদ্রি, বার্নাল ও ইয়ামালের একাধিক প্রচেষ্টা রুখে দেন তিনি।

৭২তম মিনিটে জোয়াও ক্যানসেলোর ক্রস থেকে ভলিতে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন বার্নাল। তাতে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-০। আর একটি গোল পেলেই অতিরিক্ত সময়ে যেত ম্যাচ, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর জাল খুঁজে পায়নি বার্সা। ফলে হারলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় ফাইনাল নিশ্চিত হয় অ্যাতলেটিকোর।

ম্যাচ শেষে মুসো বলেন, ‘আমরা ফাইনালে, এটাই গুরুত্বপূর্ণ। জানতাম কঠিন হবে। তারা বিশ্বের সেরা দলগুলোর একটি। কিন্তু দুই লেগে আমরা বেশি গোল করেছি, সেটাই আসল।’

তবে হারলেও দল নিয়ে গর্বিত রাফিনিয়া। তিনি বলেন, ‘এমন ম্যাচে দলকে নিয়ে গর্বিত না হয়ে পারা যায় না। এভাবে খেলতে পারলে মৌসুমের শেষটা দারুণ হবে।’

ফাইনালে অ্যাতলেটিকোর প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে বুধবারের অন্য সেমিফাইনালে। যেখানে মুখোমুখি হবে রিয়াল সোসিয়েদাদ ও অ্যাথলেটিক বিলবাও। প্রথম লেগে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে সোসিয়েদাদ।

 

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর