উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ
বার্সার ত্রাতা ইয়ামাল, লিভারপুলের হোঁচট
লা লিগায় সবশেষ ম্যাচে লামিনে ইয়ামালের একমাত্র গোলে জিতেছিল বার্সেলোনা। এবার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগেও দলের ত্রাতা হয়ে এলেন তিনি।
তার শেষ মুহূর্তের গোলেই নিউক্যাসল ইউনাইটেডের সঙ্গে কোনোমতে ড্র করেছে কাতালানরা। রাতের অন্য ম্যাচে তুর্কি ক্লাব গ্যালাতাসারাইয়ের কাছে হেরে গেছে ইংলিশ জায়ান্ট লিভারপুল। ওদিকে রীতিমতো গোল উৎসব করে শেষ আটে এক পা দিয়ে রেখেছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখ।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের মাঠ সেন্ট জেমস পার্কে চ্যাম্পিয়নস লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগের লড়াইটি শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়। ৮৬তম মিনিটে জ্যাকব মার্ফির ক্রস থেকে ভলিতে হার্ভি বার্নসের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে মালিক থিয়াও বক্সের মধ্যে দানি অলমোকে ফেলে দিলে পেনাল্টি দেন রেফারি। সফল স্পট কিকে বল জালে জড়ান স্প্যানিশ বিস্ময়বালক ইয়ামাল।
গতিময় ফুটবলে ম্যাচের শুরু থেকেই বার্সেলোনাকে দারুণ চাপে রেখেছিল নিউক্যাসল। তবে বল দখলে এগিয়ে ছিল বার্সেলোনাই। পুরো ম্যাচে ৫৪ শতাংশ সময় বল পজিশন ধরে রেখে গোলের জন্য ৯ শট নিয়ে কাতালানরা লক্ষ্যে রাখতে পারে কেবল দুটি! অন্যদিকে, নিউক্যাসল ১৬ শটের চারটি রাখতে পারে লক্ষ্যে। ক্যাম্প ন্যুতে আগামী ১৮ মার্চ চ্যাম্পিয়নস লিগে শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে দুই দল।
একই রাতে ইস্তাম্বুলে লিভারপুলকে ১-০ গোলে হারিয়েছে স্বাগতিক গালাতাসারাই। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে মারিও লেমিনার ডাইভিং হেডে গোল হয়। ভিক্টর ওসিমহেন কর্নার থেকে বলটি ফেরত পাঠালে লেমিনা মাথায় লাগিয়ে জালে পাঠান। দুই দলই একটি করে গোল বাতিল হতে দেখে। দ্বিতীয় লেগ অ্যানফিল্ডে।
ইতালিতে বায়ার্ন মিউনিখ আতালান্তাকে ৬-১ গোলে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। বার্গামোতে প্রথম ২৫ মিনিটেই তিন গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বায়ার্ন। স্বাগতিকরা কোনোভাবেই পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পায়নি।
আতলেতিকো মাদ্রিদ মঙ্গলবার রাতে টটেনহ্যাম হটস্পারকে ৫-২ গোলে রীতিমতো ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। প্রথমার্ধেই ম্যাচের ভাগ্য প্রায় নির্ধারণ হয়ে যায় এই অর্ধে ৪ গোল হজম করে টটেনহ্যাম। দলটির ২২ বছর বয়সী গোলরক্ষক আন্তোনিন কিনস্কির জন্য এটি ছিল দুঃস্বপ্নের রাত। অক্টোবরের পর এটি ছিল তার প্রথম ম্যাচ, মৌসুমে মাত্র তৃতীয়।
চেক এই গোলরক্ষকের দুটি বড় ভুলে আতলেতিকো দ্রুত বড় লিড নেয়। তৃতীয় গোলের পরপরই কোচ ইগর তুদোর ১৭তম মিনিটে তাকে তুলে নেন। তবে তাতেও লাভ হয়নি, নতুন গোলরক্ষক নিয়েও পরে আরও ২ গোল হজম করেছে টটেনহ্যাম।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: