[email protected] শুক্রবার, ৫ই জুন ২০২৬
২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বিশ্বকাপের আগেই অবসরের ঘোষণা দিলেন ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১১ মার্চ ২০২৬ ১০:০৩ এএম

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। আগামী জুন-জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বসবে ৪৮ দলের মেগা আসর। 'দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ' খ্যাত এই বৈশ্বিক আসরের মাস তিনেক আগেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের তারকা ডিফেন্ডার কাইল ওয়াকার।

৩৫ বছর বয়সী ওয়াকার জাতীয় দলের হয়ে ১৫ বছরে ৯৬টি ম্যাচ খেলেছেন। কিন্তু বছরখানেক ধরে জাতীয় দলের বাইরেই আছেন তিনি, এমনকি বর্তমান ইংলিশ কোচ থমাস টুখেলের আসন্ন বিশ্বকাপ স্কোয়াডেও ওয়াকারের জায়গা পাওয়া কঠিনই হবে! বাস্তবতা বুঝে বিশ্বকাপের আগে নিজ থেকে সরে গেলেন তিনি।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে জাতীয় দলের হয়ে বুটজোড়া তুলে রাখার ঘোষণায় ওয়াকার বলেন, ‘এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য আমি ব্যথিত, তবে ইংল্যান্ডের হয়ে আমার অর্জনের জন্য গর্বিত-ও। পাঁচটি মেজর টুর্নামেন্টে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা…অনেক বড় সম্মানের। আজ সেই অধ্যায়ের ইতি ঘটল।’

ইংল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দলের হয়ে খেলার পর ২০১১ সালের নভেম্বরে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল ওয়াকারের। দ্রুততম সময়েই তিনি দলটির নেতৃত্বের কাতারে চলে আসেন। দুটি বিশ্বকাপ ও তিনটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ইংলিশদের প্রতিনিধি করেন এই ডিফেন্ডার।

ওয়াকার বলেন, ‘দেশের প্রতিনিধিত্ব করা, একাই ৯৬ ম্যাচ খেলা, এসবের জন্য আমি অনেক বেশি গর্বিত। ১৯৬৬ সালের পর ইংল্যান্ডের হয়ে কোনো মেজর ফাইনালে খেলার অংশ হতে পারাও আমাকে অনেক গর্বিত করে। আমি আমার হৃদয়ের গভীর থেকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, যাদের অধীনে খেলেছি– ফ্যাবিও কাপেলো, রয় হজসন, লি কার্সলি, গ্যারেথ সাউথগেট ও থমাসকে (টুখেল)।’

জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখলেও, ইংলিশ ক্লাব বার্নলির হয়ে খেলা চালিয়ে যাবেন ওয়াকার। ইতালিয়ান ক্লাব এসি মিলানে পাঁচ মাস ধারে খেলার পর গত বছরের জুলাইয়ে তিনি ক্লাবটিতে যোগ দেন। অবশ্য ক্লাব ফুটবলে সেরা সময় কাটিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটিতে। ইতিহাদের ওই ঠিকানায় ২০১৭ থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত খেলেছেন ওয়াকার। এ ছাড়া শেফিল্ড ইউনাইটেড ও টটেনহ্যাম হটস্পারসহ আরও কয়েকটি দলে তার খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

ইংল্যান্ডের সাবেক কোচ সাউথগেটের বিবেচনায় বেশ ভালোভাবেই ছিলেন ওয়াকার। তার অধীনে ২০২১ ও ২০২৪ ইউরোয় দলকে ফাইনালে তোলায়ও তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। যদিও দু’বারই ইংল্যান্ডের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। এরপর থেকে বয়স–পারফরম্যান্স মিলিয়ে জাতীয় দলের সঙ্গে তারা কিছুটা দূরত্ব তৈরি হতে থাকে। ওয়াকার গত বছরের জুনে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ফুটবলে খেলেছেন। সেনেগালের বিপক্ষে খেলা সেই প্রীতি ম্যাচই শেষবার জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলেন তিনি।

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর