[email protected] শুক্রবার, ৫ই জুন ২০২৬
২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নারী কাবাডি বিশ্বকাপ শুরু আগামীকাল, অভিযোগও বিস্তর!

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১৬ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:১১ পিএম

ঘরোয়া কাবাডি আসরে প্রায়ই রেফারিং নিয়ে অফিযোগ পাওয়া যায়। ঢাকায় অনুষ্ঠিত গত চার বছরে চারটি আন্তর্জাতিক আসরেও রেফারিং নিয়ে স্বয়ং বিদেশি খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদেরও বিস্তর অভিযোগ ছিল।


দশ দেশের খেলোয়াড়রা ঢাকায়। আর কয়েক ঘন্টা পরেই শহিদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাচ্ছে নারী বিশ্বকাপ কাবাডির দ্বিতীয় আসর। যেখানে স্বাগতিক বাংলাদেশসহ ১১টি দেশ দুটি পুলে লড়বে পদকের জন্য। তার আগে রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে ট্রফি নিয়ে ১১ দলের অধিায়করা ফটোসেশনে অংশ নেন। আজ প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ উগান্ডা।


ঘরোয়া কাবাডি আসরে প্রায়ই রেফারিং নিয়ে অফিযোগ পাওয়া যায়। ঢাকায় অনুষ্ঠিত গত চার বছরে চারটি আন্তর্জাতিক আসরেও রেফারিং নিয়ে স্বয়ং বিদেশি খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদেরও বিস্তর অভিযোগ ছিল। নারী বিশ্বকাপ কাবাডির মতো বড় আসর শুরুর আগে সেই রেফারিং নিয়েই অভিযোগ উস্কে দিল। কারণ বিশ্বকাপের আসরে নেই বাংলাদেশের বিশ্বমানের রেফারি। ২০১৬ সালে ভারতের গুজরাট প্রদেশের আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ কাবাডির ওপেনিং ও স্বাগতিক ভারত বনাম ইরানের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচসহ মোট ৯টি খেলা পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞ রেফারি এসএমএ মান্নান। বিশ্বকাপ কাবাডির ওই আসরে ‘রেফারি অব দ্য টুর্নামেন্ট’ নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছিলেন। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গেমস ও প্রো-কাবাডিতেও রেফারিং করেন তিনি।

অথচ সেই এসএমএ মান্নানকে রাখা তো দূরের কথা ডাকেনওনি বর্তমান অ্যাডহক কমিটির কর্মকর্তারা। এমনকি আন্তর্জাতিক মানের কাবাডি রেফারি আতিকুর রহমান, মেহেদী হাসান সুমন, তান্না সিদ্দিকী, জুবায়ের আহমেদ, প্রিন্স মাহমুদের মতো রেফারিদেরও ডাকা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। মান্নান বলেন, ‘কাদের নিয়ে বিশ্বকাপ কাবাডি পরিচালনা করবে ফেডারেশন তা বুঝতে পারছি না। আমার কথা বাদ দিলাম, দেশের অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিকমানের রেফারিদেরকে অবজ্ঞা করা হয়েছে টুর্নামেন্টে। সাধারন সম্পাক এসএম নেওয়াজ সোহাগ তার ব্যক্তিস্বার্থে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে ১২জন রেফারি নিয়োগ দিয়েছেন। যা দেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণœ করতে পারে।’ কাবাডি সংশ্লিষ্ট সাবেক এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যে বিশ্বকাপে দক্ষিন কোরিয়া, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার মতো দল নেই, সেখানে নিজেদের সক্ষমতা বুঝার কোন উপায় নেই বাংলাদেশের। অন্তত এদের কাছ থেকেও কিছু শেখার ছিল আমাদের।’

 

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর