[email protected] শুক্রবার, ১৯শে জুন ২০২৬
৫ই আষাঢ় ১৪৩৩

তীরে এসে তরি ডুবলো বাংলাদেশের!

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২৬ ১৮:০৬ পিএম

শেষের ছক্কাটি হলে বাংলাদেশের পরাজয়ের ব্যবধান হতো ১ রানের। কিন্তু একেবারেবাউন্ডারি লাইনে ধরা পড়লেন তাওহিদ হৃদয়। শেষ তিন বলে দরকার ছিল ১৮ রান।

৩টি ছক্কার প্রয়োজন। ২০তম ওভারের ৪র্থ বলে ছক্কা হাঁকালেন, ৫ম বলে মারলেন বাউন্ডারি। তখনই পরাজয় নিশ্চিত। তবুও, শেষ বলে ছক্কার মারতে চেয়েছিলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। কিন্তু লংঅনে ক্যাচ আউট।

ফলে, একেবারে তীরে এসে তরি ডুবেছে বলা যায় বাংলাদেশের। ১৯৭ রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছে ১৮৯ রান। হেরেছে ৭ রানের ব্যবধানে।

অথচ শুরুটা যেভাবে তানজিদ তামিম আর সাইফ হাসান করেছিলেন এবং মাঝে পারভেজ ইমন যেভাবে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন, তাতে বাংলাদেশের জয় খুবই নিশ্চিত ধরে নিয়েছিল সবাই। কারণ, পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে উঠেছিল ৭২ রান। ৮ ওভারে ৮১, ৯ ওভারে বাংলাদেশের রান ছিল ৯৭।

এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের হারটি কেবলই বিস্ময়ের। শেষ দিকে দ্রুত উইকেট পড়ায় ৭ রানের হারতে হলো টাইগারদের। সে সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার কাছে সিরিজও হারলো তারা। ৩ ম্যাচের সিরিজে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে গেলো ২-০ তে।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া সংগ্রহ করে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান। মেট রেনশ ৫২ বলে করেছিলেন ৮৯ রান। ৫টি ছক্কার মার ছিল তার ইনিংসে। ২৬ বলে ৪৫ রান করেন টিম ডেভিড।

জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশ থেমেছে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রানে। মেট রেনশ’র মত বড় ইনিংস কেউ খেলতে পারেননি সত্য,তবে তানজিদ তামিম (১৫ বলে ৩০), সাইফ হাসান (৩৩ বলে ৪২), পারভেজ ইমন (২২ বলে ৩৬) এবং তাওহিদ হৃদয়রা (২২ বলে ৩৫) মাঝারি মানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিলেন।

শামীম পাটোয়ারী ৮টি বল নষ্ট করেছেন। টি-টোয়েন্টিতে ৮ বলে ৭ রান, খুবই বাজে পারফরম্যান্স। ৮ বলে ২০ না হলে জেতা সম্ভব নয়। আবার শেষ দিকে আবদুল গাফফার সাকলায়েন ১১ বল খেলে করেছেন ১৩ রান। শেষ মুহুর্তে এই ১১ বলে ২২ রান না হলে টি-টোয়েন্টি জয়ের চিন্তাও হয়তো করা যায় না। তবুও তাওহিদ হৃদয় শেষ অবধি চেষ্টা করেছিলেন এবং দলকে তীরে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর