[email protected] শুক্রবার, ৩রা জুলাই ২০২৬
১৮ই আষাঢ় ১৪৩৩

বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৪০ রান করে ২৫ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন কাইয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০২৬ ২২:০৬ পিএম

তাইজুল ইসলামের বলটা বেশ আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলেছিলেন ইনোসেন্ট কাইয়া। প্যাডের ওপরের বল ফ্লিক করেছিলেন। কিন্তু বলে বাড়তি গতি থাকায় ব্যাটের চুমু খেয়ে সোজা চলে যায় মিড অফে। সেখানে সাদমান ইসলামের নির্ভরযোগ্য হাতের মুঠোয় জমে যায় বল।

 

তাইজুলের উল্লাস বলে দিচ্ছিল এই উইকেট কতটা আরাধ্য। কেনই বা হবে না? জিম্বাবুয়ের এই ওপেনার বাকি ব্যাটসম্যানদের চেয়ে আলাদা হয়ে বাংলাদেশের বোলারদের শাসন করে যাচ্ছিলেন। উইকেটের চারিপাশে দৃষ্টিনন্দন সব শট, দৃঢ়চেতা মানিসকতা এবং বল বুঝে সময় কাটিয়ে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের মেরামতের দায়িত্ব তিনিই পালন করছিলেন। ১৪০ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে তাইজুলের বলে থামেন কাইয়া। ২২৭ বলে ১৭ চারে সাজানো ইনিংসটি গড়ে দেয় বিশাল পার্থক্য।

এর আগে কাইয়ার কোনো সেঞ্চুরির ইনিংস ছিল না। ৬৭ ছিল তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ। টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংস বরাবরই বিশেষ কিছু। আর এই বিশেষ অর্জনকে আরেকটু বড় করে কাইয়া ভেঙেছেন ২৫ বছরের পুরোনো রেকর্ড। ১৪০ রানের ইনিংস খেলে নিজের অর্জনকে চূড়ায় নিয়ে গেছেন।

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের ওপেনারদের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসের রেকর্ড এখন কাইয়ার দখলে। তিনি ভেঙেছেন গাই জেমস হুইটালের ২০০১ সালে করা কীর্তি। বুলাওয়েতে হুইটাল ১১৯ রান করেছিলেন। ওপেনার হিসেবে সেটাই ছিল জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ওই বছরের শেষ দিকে নভেম্বরে ট্রেভর রেমন্ড গ্রিপার দ্বিতীয় ওপেনার হিসেবে সেঞ্চুরি করেছিলেন। ১১২ রান এসেছিল তার ব্যাট থেকে।

লম্বা সময় পর জিম্বাবুয়ের কোনো ওপেনার বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে সেঞ্চুরি পেলেন। কাইয়া অসাধারণ ব্যাটিংয়ে শুধু সেঞ্চুরি করে রেকর্ডই ভাঙেননি, দলকে নিয়ে গেছেন নিরাপদ স্থানে। যেখানে জিম্বাবুয়ে এখন পাচ্ছে স্বস্তির নিশ্বাস।

বাংলাদেশের করা ১৪০ রানের জবাবে জিম্বাবুয়ের রান ৫ উইকেটে ৩৫৯। স্বাগতিকদের লিড ২১৯ রানের। কতদূর যায় তাদের লিড সেটাই দেখার।

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর