২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ
সংক্ষেপে স্কোরকার্ড: বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ১৪০/১০ (মুমিনুল ৬০; নিয়ামহুরি ৪/৬১) জিম্বাবুয়ে (১ম ইনিংস): ৪১০/১০ (ইনোসেন্ট কাইয়া ১৪০, মাধেভেরে ৭৭*; তাইজুল ৭/১৩৮) বাংলাদেশ (২য় ইনিংস): ১৮৫/১০ (মুশফিক ৩৪, শান্ত ৩০; মুজারাবানি ৩ উইকেট) ফলাফল: জিম্বাবুয়ে ইনিংস ও ৮৫ রানে জয়ী।
হারারে টেস্টে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৮৫ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস এবং ৮৫ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজয় বরণ করল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ২৫ বছর পর টেস্ট ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হারের এক লজ্জাজনক রেকর্ড গড়ল টিম টাইগার্স। সবশেষ ২০০১ সালের ২২শে এপিল বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ও ৩২ রানে হেরেছিল নাইমুর রহমান দুর্জয়ের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে গুটিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস শেষে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের চেয়ে ২৭০ রানে পিছিয়ে ছিল। গতকাল ম্যাচের দ্বিতীয় দিন শেষ ভাগে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং শুরু করে ৯ ওভারে ওপেনার সাদমান ইসলামের উইকেট হারিয়ে ৪০ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। আজ তৃতীয় দিনে ইনিংস হার এড়ানোর কঠিন লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমে দুই সেশনও টিকতে পারেনি সফরকারীরা। শেষ পর্যন্ত ১৮৫ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের লড়াই।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) তৃতীয় দিনের শুরুতেই আগের দিনের রানের সাথে মাত্র ১ রান যোগ করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় (২১)। তার পরপরই বিদায় নেন অভিজ্ঞ মুমিনুল হক (১৩)। চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ৬১ রানের একটি জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। শান্ত ৩০ রান এবং মুশফিক দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৪ রান করে আউট হলে বাংলাদেশের পরাজয় কেবল সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।
এরপর অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা তাওহীদ হৃদয় (৯) ও অমিত হাসান (২৫) দ্রুত ফিরে যান। শেষ দিকে তাইজুল ইসলাম ৮ রান এবং হাসান মাহমুদ ১৫ রানে ক্যাচ দিয়ে আউট হলে মাত্র ১৮৫ রানেই থমকে যায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। জিম্বাবুয়ের পেসারদের তোপের মুখে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: