দেশে ফিরেই নিজেদের ক্লাবে ফুটবলাররা
৭২ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস সময় কাটিয়ে বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমান বন্দর থেকে দেশে ফেরেন জামাল ভূঁইয়ারা। ঢাকার কুর্মিটোলা বিমান ঘাটিতে নেমেই যে যার ক্লাবে চলে যান ফুটবলাররা।
৭২ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস সময় কাটিয়ে বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমান বন্দর থেকে দেশে ফেরেন জামাল ভূঁইয়ারা। ঢাকার কুর্মিটোলা বিমান ঘাটিতে নেমেই যে যার ক্লাবে চলে যান ফুটবলাররা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজার আমের খান। তার কথা, ‘ঢাকায় পৌঁছেই ফুটবলাররা নিজ নিজ ক্লাব চলে গেছে। তবে জামাল ভূঁইয়া বিশ্রামের জন্য দুয়েকদিন ছুটি চেয়েছে, হয়তো আমরা তাকে ছুটি দিব।’
জাতীয় দলের পরবর্তী ক্যাম্প নিয়ে আমের খানের কথা, ‘৯ অক্টোবর হংকংয়ের সঙ্গে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের খেলা রয়েছে জাতীয় দলের। তার আগে ফের জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হবে। তখন আবার তারা ক্যাম্পে ফিরিবে। তার আগে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া লিগেও ক্লাবের হয়ে খেলবে তারা।’ নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে ৩ সেপ্টেম্বর কাঠমান্ডু গিয়েছিল জাতীয় দল। ৬ সেপ্টেম্বর দশরথ স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচটি গোলশূণ্য ড্র হয়। তবে নেপালে গনঅভ্যুত্থান ঘটায় ৯ সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় ম্যাচটি আরও আর মাঠে গড়ায়নি। বৃহস্পতিবার বিমান বাহিনীর পরিবহন বিমানে করে দেশে ফেরেন ফুটবলাররা।
নেপালে যাওয়া ২৩ সদস্যের মধ্যে মোহামেডানের সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান, রহমত মিয়া, আরিফ হোসেন ও সুমন রেজা। ঢাকা আবাহনীর মিতুল মারমা, পাপ্পু হোসেন, পাপন সিং, শাহ কাজেম ও মোহাম্মদ ইব্রাহিম। বসুন্ধরা কিংসের তপু বর্মন, তাজ উদ্দিন, তারিক কাজী, সাদ উদ্দিন, মোহাম্মদ হৃদয়, সোহেল রানা সিনিয়র, সোহেল রানা জুনিয়র, শাহরিয়ার ইমন, রাকিব হোসেন ও ফয়সাল আহমেদ। ফর্টিজের আবদুল্লাহ ওমর, পুলিশের ঈসা ফয়সাল ও ব্রাদার্সের ছিলেন জামাল ভূঁইয়া।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: