নারী লিগ উপভোগ করছেন দুই হিমালয়কণ্যা
নেপাল থেকে দুজন ডিফেন্ডারকে উড়িয়ে এনেছে পুরান ঢাকার ক্লাবটি। একজনের নাম পূজা রানা মাগার, অন্যজন সামিক্ষা ঘিমিরে।
এবারের নারী ফুটবল লিগে শিরোপা জেতার মতো গড়েছে ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব। কারণ তারা দলে ভিড়িয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের পাঁচ তারকা নারী ফুটবলার- মারিয়া মান্দা, তহুরা খাতুন, মনিকা চাকমা এবং দুই শামসুন্নাহারকে। সিনিয়র শামসুন্নাহার বাদে রক্ষণে সে অর্থে পরীক্ষিত কোনো সেনা নেই। তাই নেপাল থেকে দুজন ডিফেন্ডারকে উড়িয়ে এনেছে পুরান ঢাকার ক্লাবটি। একজনের নাম পূজা রানা মাগার, অন্যজন সামিক্ষা ঘিমিরে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা রেঞ্জার্সের বিপক্ষে ১০-০ গোলের জয়ে দুই হিমালয়কণ্যার অবদানও কম নয়। প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দারুণ খুশি নেপালের এই দুই ডিফেন্ডার। পূজা রানা মাগার বলেন, ‘সবার আগে আমি আমার সতীর্থদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। তাঁরা খুব ভালো খেলেছে এবং ম্যাচটি আমি সত্যিই খুব উপভোগ করেছি।’
বাংলাদেশে এর আগেও নেপাল জাতীয় নারী ফুটবল দলের হয়ে খেলে গেছেন পূজা। ঢাকার আবহাওয়া, পরিবেশ মোটামুটি জানা-ই নেপালি ডিফেন্ডারের জন্য। এবার নতুন ভূমিকায় এলেন বাংলাদেশে। এখন পর্যন্ত একটি ম্যাচই খেলেছেন, তবে ক্লাবের আতিথেয়তা এবং এখানকার দর্শকদের উৎসাহ উপভোগ করছেন বলে জানান পূজা, ‘সবাইকে নমস্কার। বাংলাদেশের নারী ফুটবল লিগে অংশ নিতে পেরে আমরা সত্যিই অনেক আনন্দিত। এখানে আসতে পেরে আমরা খুব খুশি এবং অনেক উপভোগ করছি। ফরাশগঞ্জে যোগ দিতে পেরে আমি সত্যিই গর্বিত।’
বাংলাদেশে এসেছেন মাত্র কয়েকদিন হলো। মাঠ এবং ক্লাবের বাইরে এখনো সেভাবে যাওয়া হয়নি দুই নেপালি ফুটবলারের। তবে পুরাণ ঢাকার নানা ঐতিহ্যের গল্প শুনেছেন সতীর্থদের কাছে। এখানকার খাবারের কথাও ইতোমধ্যে জানা হয়েছে পূজা-সামিক্ষাদের। সময় হলে সেসব ঘুরে দেখবেন বলে জানান। বাংলাদেশে কোনো সমস্যা হচ্ছে না বলে জানান পূজা, ‘না, এখানে আমাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। আমাদের টিম ম্যানেজার, সতীর্থরা- সবাই খুব ভালো। এখানে থাকতে পেরে আমরা সত্যিই খুশি।’ কেবল এক ম্যাচ খেলেছে ফরাশগঞ্জ। প্রতিপক্ষ দলগুলোর মধ্যে অনেকেই নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়নি। তাই অন্য দলগুলোর শক্তিমত্ত্বা, সামর্থ্য জানাও সম্ভব নয়। তারপরও এই দল নিয়ে আশাবাদী পূজা রানা, ‘আমাদের দলটি খুবই শক্তিশালী। দেখা যাক কী হয়।’
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: