[email protected] রবিবার, ১৯শে জুলাই ২০২৬
৪ঠা শ্রাবণ ১৪৩৩

শুধু ব্রাজিল নয়, ভারতকেও দুঃস্বপ্ন দেখিয়েছিলেন হালান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৬ জুলাই ২০২৬ ২২:০৭ পিএম

আবারও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে থমকে গেছে ব্রাজিলের যাত্রা। নরওয়ের তারকা ফরোয়ার্ড আরলিং হালান্ডের জোড়া গোলে টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে গেছে সেলেসাওদের। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে দুর্দান্ত এক হেড এবং নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে বক্সের বাইরে থেকে মাটি কামড়ানো এক শটে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের স্তব্ধ করে দেন তিনি। এককথায় ব্রাজিলের জন্য হালান্ড ছিলেন স্রেফ দুঃস্বপ্ন। খবর এনডিটিভির।

তবে শুধু ব্রাজিলই নয়, বছর দশেক আগে ভারতকেও এমনই এক দুঃস্বপ্ন দেখিয়েছিলেন হালান্ড। ২০১৭ ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের তখন মাত্র এক বছর বাকি, যার আয়োজক দেশ ছিল ভারত। সেটিই ছিল ফুটবলে যেকোনও স্তরের ফিফা বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম অংশগ্রহণ।

প্রস্তুতি ও অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে সেবার নরওয়ে অনূর্ধ্ব-১৭ দলের মুখোমুখি হয়েছিল ভারত। ভারত বনাম নরওয়ের সেই দ্বৈরথের ম্যাচ রিপোর্ট এখনও অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের ওয়েবসাইটে সংরক্ষিত রয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়, ‘ম্যাচের ৫৪ মিনিটে একটি ফাউলের কারণে সঞ্জীব দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ভারতের যুবারা। এরপর ৫৭ মিনিটে আরলিং হালান্ডের গোলে নরওয়ে এগিয়ে যায় এবং ৮০ মিনিটে এরিক বথেইমের গোল ব্যবধান দ্বিগুণ করে।’

সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর ৫৪ মিনিটে সঞ্জীব লাল কার্ড দেখলে ভারত ১০ জনের দলে পরিণত হয়। ৫৭ এবং ৮০ মিনিটে গোল হজম করার পর ভারতীয় যুবারা আর ব্যবধান কমাতে পারেনি, যার ফলে ম্যাচটি ২-০ ব্যবধানে জিতে নেয় নরওয়ে।’

নরওয়ের বিপক্ষে সেই ম্যাচের ভারতীয় স্কোয়াডের অন্যতম সদস্য ছিলেন সুরেশ ওয়াংজাম। ২০২২ সালে হালান্ডকে তার ট্যাকল করার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয়েছিল। সেই ছবির প্রতিক্রিয়ায় সুরেশ লিখেছিলেন, ‘যাই হোক, বলটা কিন্তু আমিই জিতেছিলাম। শুধু জানিয়ে রাখলাম আরকি।’

পরবর্তীতে দ্য ব্রিজ’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সুরেশ বলেন, ‘আমরা জানতাম ম্যাচটি সহজ হবে না। তাদের জন্য আমাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল। আমরা তাদের খেলার ধরন জানতাম এবং এও জানতাম যে তাদের হালান্ডের মতো একজন খেলোয়াড় আছে।’

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর