[email protected] রবিবার, ১৯শে জুলাই ২০২৬
৪ঠা শ্রাবণ ১৪৩৩

অপ্রতিরোধ্য আর্জেন্টিনার হুংকার, ‘ফাইনাল আমরাই জিতব’

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১৬ জুলাই ২০২৬ ১০:০৭ এএম

প্রথমার্ধের ‘ডার্টি’ ফুটবলের পর ম্যাচটা কোন দিকে যাবে তা একটুও বোঝা যাচ্ছিল না। আটলান্টায় প্রথমার্ধে শেষে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার স্কোরলাইন সমতায়। ৫৫ মিনিটে থ্রি লায়ন্সদের যখন অ্যান্থনি গর্ডন এগিয়ে দিলেন তখন আলবিসেলেস্তদের কপালে ছিল না চিন্তার ভাঁজ। পিছিয়ে থেকে এবারের বিশ্বকাপে প্রত্যাবর্তনের গল্প একাধিকবার লিখেছে আর্জেন্টিনা। তাই আত্মবিশ্বাস ছিল টগবগে।

মাঠে যখন লিওনেল মেসির মতো তারকা আছেন, জাদুকর কিছু না কিছু করবেন। স্রষ্টাও তাকে দুহাত ভরে দিচ্ছেন। ৮৫ মিনিটে মেসির বাড়ানো পাস ইংল্যান্ডের প্রাচীর ভেঙে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর যোগ করা ২ মিনিটের মাথায় মেসির ক্রস থেকে লওতারো মার্তিনেজের হেডে সব এলোমেলো দেন। আর্জেন্টিনা ০-১ গোলে পিছিয়ে থেকে ৭ মিনিটের ব্যবধানে স্কোরলাইন ২-১ করেন। তাতে অতিরিক্ত সময় গড়ানোর আগেই বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট পেয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে লিওনেল মেসি। টানা দ্বিতীয়বার লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা শিরোপা ছোঁয়ার অপেক্ষায়। স্কালোনি এতোটাই উচ্ছ্বসিত, এতোটাই খুশি যে ম্যাচ জয়ের পরপরই হুংকার দিয়ে বললেন, ‘ফাইনালও আমরা জিতব।’

শিষ্যদের প্রশংসায় ভাসিয়ে তিনি যোগ করেন, ‘আমি বাকরুদ্ধ। এই জয় আমাদের দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য। সেই দিন আমি বলেছিলাম, এই ছেলেরা সবসময় আমাকে বিস্মিত করে।’

মাঠে নিজের আবেগ ধরে রেখেছিলেন আর্জেন্টিনার কোচ। কিন্তু সংবাদ সম্মেলনে তার কণ্ঠে ছিল আবেগে ভরা। নিজে থেকেই স্বীকার করেছেন ভেতরটা আনন্দে টগবগ করছিল তার, ‘আমার কণ্ঠ ভেঙে আসছে, কারণ আজ এখানে অনেক কিছুর দেখা মিলল। দলীয় প্রচেষ্টা, ভ্রাতৃত্ব, কখনও হাল না ছাড়ার মানসিকতা, শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়া।’

‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা ফাইনাল জিতব। তবে এই দলকে এর চেয়ে বেশি আর কী করতে হবে? তারা আমাকে আবেগপ্রবণ করে ফেলেছে। আমার বেশি কিছু বলার নেই। সব কৃতিত্ব কেবলই তাদের।’

স্কালোনি যে ঘোষণা দিয়েছেন তা নিশ্চিতভাবেই বিশ্বাস করেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা। এজন্য তাদের আরেকটি ৯০ মিনিটের ম্যাচ জিততে হবে। আগামী রোববার নিউ জার্সিতে ফাইনালে তাদের অপেক্ষায় স্পেন।

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর