[email protected] শুক্রবার, ৩রা জুলাই ২০২৬
১৮ই আষাঢ় ১৪৩৩

অনন্য ভিনিসিয়ুসের অসাধারণ কীর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০২৬ ০৯:০৬ এএম

ভিএআর স্রেফ আমেজটাই নষ্ট করে দিল! নয়তো ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হতে পারত নতুন এক অধ্যায়। যে ইতিহাস ব্রাজিলের হয়ে থমকে আছে ১৯৫৮ সালের পর থেকে।

পেলে কিংবা কালো মানিক আদর করে, শ্রদ্ধায় স্মরণ করে যে নামেই ডাকেন না কেন ব্রাজিলের জন্য তিনিই সবশেষ বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। সেটাও ১৯৫৮ সালে। ১৭ বছর বয়সে ফ্রান্সের বিপক্ষে। এরপর কতো সময় গড়াল। কতো বিশ্বকাপ এলো-গেলো। কিন্তু ব্রাজিলের কোনো ফুটবলার আর হ্যাটট্রিকের দেখা পাননি।

অথচ এই সময়ে কত রথি, মহারথি ব্রাজিলের হলুদ জার্সিতে বিশ্বজয় করেছেন। হ্যাটট্রিকের সেই খরা আজ কেটে যেত ভিনিসিয়ুসের হাত ধরে। হলো না! ভিএআর বাতিল করেছে ভিনিসিয়ুসের একটি গোল। ওই গোলের আগে দারুণ দক্ষতায় ট্যাপ ইন করে একটি গোল করেন তিনি। এরপর হেডে ব্যবধান দ্বিগুন করেন। মাঝের গোলটি বাতিল না হলে হ্যাটট্রিকটার স্বাদ পেতে পারতেন ব্রাজিলের সুপারস্টার।

হয়তো নাম লিখাতে পারতেন, পেলের পাশে কিংবা লিওনিদাস ডি সিলভা বা আদেমির দে মেনেজেসের পাশে। যারা পেলেরও আগে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। তালিকাটা মাত্র তিনজনের। ভিনিসিয়ুস হতে পারতেন নবতম সংযোজন।

সেখানে না পারলেও আরেকটি অসাধারণ কীর্তিতে এই উইঙ্গার নিজেকে জড়িয়ে নিয়েছেন। পঞ্চম ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচে গোল করার অসাধারণ কীর্তি গড়েছেন। মরক্কোর বিপক্ষে দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছিলেন ভিনিসিয়ুস। পরের ম্যাচে হাইতির বিপক্ষেও এক গোলের দেখা পান তিনি। আজ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তার গোল সংখ্যা দুইটি।

সব মিলিয়ে চার গোল করে ভিনিসিয়ুস রয়েছেন দারুণ ফর্মে। এর আগে বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে তিন ম্যাচে গোল করার রেকর্ড আছে জাইরজিনহোর (১৯৭০), রোমারিওর (১৯৯৪), রোনালদো (২০০২), রিভালদোর (২০০২)।

২০০২ সালের পর ব্রাজিল বিশ্বকাপও জিতেনি। সেবার রোনালদো ও রিভালদোর পারফরম্যান্স ছিল চিত্তাকর্ষক। এবার ভিনিসিয়ুস, কুনহা সেই ছাপটাই ফিরিয়ে এনেছেন। এবার কী হেক্সার আশা দেখতে পারে সেলেসাওরা?

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর